বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ০১:৫১ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
মাটিরাঙ্গায় ধলিয়া খালে বিলীন বসতঘর ; প্রশাস‌নের ত্রান ‌বিতরণ। কালের খবর জুলাইয়ের রক্তাক্ত স্মৃতিকে ধারণ করে ‘৩৬ জুলাই’ পত্রিকার আত্মপ্রকাশ। কালের খবর কাঁচা রাস্তা ধানক্ষেত-জঙ্গল পেরিয়ে যা দেখলেন প্রধানমন্ত্রী। কালের খবর রাঙ্গামাটি পার্বত্য এলাকার নারীদের আত্মনির্ভরশীল করতে বাঘাইহাট জোনের সেলাই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন। কালের খবর সত্যের মঞ্চ না রাজনৈতিক অঙ্গন? সাংবাদিকতা ও রাজনীতির সীমারেখা নিয়ে নতুন বৈশ্বিক ভাবনা। কালের খবর ঢাকা দক্ষিণ সিটি নতুন ওয়ার্ডগুলোয় মশার রাজত্ব, অতিষ্ঠ বাসিন্দারা। কালের খবর নবীনগরে গোলাগুলির ঘটনায় নিখোঁজ রিফাতের লাশ উদ্ধার। কালের খবর মাটিরাঙ্গায় ওয়াদুদ ভুইয়া এমপি’র সহায়তায় সিদ্ধ চাল পেল গুচ্ছগ্রামের কার্ডধারীরা। কালের খবর দুর্গম পাহাড়ে নওমুসলিমদের পাশে সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ। কালের খবর মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে জার্নালিস্ট ফারুক নগর ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে “ফারুকজি ফুড গার্ডেন”-২-এ বৃক্ষরোপণ। কালের খবর
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত শাহ আলমের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। কালের খবর

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত শাহ আলমের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। কালের খবর

মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি, কালের খবর : সৌদি আরবের জেদ্দায় বুধবার সকালে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত মহম্মদপুরের দেউলি গ্রামের শাহ আলম(২৬)- এর বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। পরিবারের একমাত্র আয়ের উৎস শাহ আলমের অকাল মৃত্যুতে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে তার পরিবার ও সন্তানের ভবিষ্যৎ। নিহত শাহ আলম মহম্মদপুরের দেউলি এলাকার সায়েন উদ্দিন মোল্যার ছেলে। শহিদুল ইসলাম আকাশ নামের ২ বছরের এক পুত্র সন্তান রয়েছে শাহ আলমের ।
নিহত শাহ আলমের স্ত্রী আম্বিয়া খাতুন বলেন, আমরা বুধবার সকালে ফোন পেয়েছি। শাহ আলম ৮ মাস আগে সৌদি আরব যান ফ্রি ভিসায়। অনেক কষ্ট করে ব্র্যাক ও গ্রামিন ব্যাংক থেতে ৩ লাখ টাকা লোন তুলে এবং ধার দেনা করে ৭ লাখ টাকা খরচ করে তাকে বিদেশ পাঠানো হয়েছে। বড় আশা ছিল লোকজনের ধার দেনা শোধ করবে। পরিবারের লোকজন নিয়ে সুখে শান্তিতে দিন কাটাবে। আমার সব শেষ হয়ে গেছে। আমি এখন ছোট ছেলে ও বৃদ্ধ শশুর-শাশুড়িকে নিয়ে কী করব।শাহ আলমের মা হুরিয়া বেগম বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন। বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছে গোটা পরিবারের লোকজন।

শোকার্ত পিতা সায়েন উদ্দিন মোল্যা জানান, আমার নিজের কোন জায়গা জমি নেই। পরের জায়গায় থাকি। সমিতি থেকে লোন ও ধার দেনা করে অনেক কষ্টে ৭ লক্ষ টাকা জোগাড় করে ছেলেকে বিদেশ পাঠিয়েছি মাত্র ৮ মাস হল। এ পর্যন্ত একটি টাকা পাঠায়নি সে। এখন এত দেনা পরিশোধ করার মত ক্ষমতাও নেই আমার। ভিক্ষা করা ছাড়া আর কোন উপায় নেই আমার। সরকারের মাধ্যমে দ্রুত মৃতদেহ ফিরে পাওয়ার দাবি জানিয়েছে পরিবার ও স্বজনরা। শেষবারের মতো তার চেহারা দেখতে চান তারা।
দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com